গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদ ও ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে অনুমতি ছাড়া পদযাত্রা আয়োজনের দায়ে সিঙ্গাপুরের তিন নারী অধিকারকর্মীকে জরিমানা করেছে দেশটির হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপক্ষের আপিল মঞ্জুর করে নিম্ন আদালতের খালাসের রায় বাতিল করে প্রত্যেককে তিন হাজার সিঙ্গাপুরি ডলার জরিমানা করা হয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সিতি আমিরাহ মোহাম্মদ আসররি, কোকিলা আন্নামালাই ও মোসাম্মৎ সাবিকুন নাহার। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাঁদের নেতৃত্বে প্রায় ৭০ জন মানুষ একটি শপিং মল থেকে সিঙ্গাপুরের প্রেসিডেন্ট ভবন অভিমুখে পদযাত্রা করেন।
জানা গেছে, পদযাত্রার উদ্দেশ্য ছিল দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পৌঁছে দেওয়া। ওই চিঠিতে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানানো হয়েছিল।
পদযাত্রার সময় অংশগ্রহণকারীদের তরমুজের ছবি আঁকা ছাতা বহন করতে দেখা যায়, যা বিশ্বজুড়ে ফিলিস্তিনপন্থী সংহতির প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পরে অনুমতি ছাড়া নিষিদ্ধ এলাকায় সমাবেশ ও পদযাত্রা আয়োজনের অভিযোগে ২০২৪ সালের জুনে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
গত বছরের অক্টোবরে নিম্ন আদালত তিনজনকে খালাস দিয়েছিল। আদালত তখন পর্যবেক্ষণে বলেছিল, তথ্যপ্রমাণে দেখা গেছে তাঁরা আইন না ভাঙার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেছিলেন, প্রেসিডেন্ট ভবনের পাশের পথটি নিষিদ্ধ এলাকা, এ তথ্য তাঁদের জানা ছিল না।
তবে রাষ্ট্রপক্ষ ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে হাইকোর্ট তা উল্টে দেয় এবং নতুন করে জরিমানার আদেশ দেয়।
রায় ঘোষণার পর কোকিলা আন্নামালাই বলেন, সিঙ্গাপুরে গণতন্ত্রায়নের সংগ্রাম দীর্ঘদিনের এবং নাগরিক অবাধ্যতামূলক কর্মকাণ্ড এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সাধারণ নাগরিকদের প্রেসিডেন্ট ভবনমুখী পদযাত্রার অধিকার থাকা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সিঙ্গাপুরে জনসমাবেশ, বিক্ষোভ ও নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রচারণামূলক কর্মসূচির ক্ষেত্রে কঠোর আইন রয়েছে। যেকোনো ধরনের প্রকাশ্য সমাবেশের জন্য পুলিশের অনুমতি বাধ্যতামূলক। বিশেষ করে ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধসংক্রান্ত জনসমাবেশ কার্যত নিষিদ্ধ রয়েছে।
সরকারের দাবি, সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতেই এসব কঠোর বিধিনিষেধ প্রয়োজন। তবে সমালোচকদের মতে, এতে নাগরিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হচ্ছে।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সিতি আমিরাহ মোহাম্মদ আসররি, কোকিলা আন্নামালাই ও মোসাম্মৎ সাবিকুন নাহার। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাঁদের নেতৃত্বে প্রায় ৭০ জন মানুষ একটি শপিং মল থেকে সিঙ্গাপুরের প্রেসিডেন্ট ভবন অভিমুখে পদযাত্রা করেন।
জানা গেছে, পদযাত্রার উদ্দেশ্য ছিল দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পৌঁছে দেওয়া। ওই চিঠিতে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানানো হয়েছিল।
পদযাত্রার সময় অংশগ্রহণকারীদের তরমুজের ছবি আঁকা ছাতা বহন করতে দেখা যায়, যা বিশ্বজুড়ে ফিলিস্তিনপন্থী সংহতির প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পরে অনুমতি ছাড়া নিষিদ্ধ এলাকায় সমাবেশ ও পদযাত্রা আয়োজনের অভিযোগে ২০২৪ সালের জুনে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
গত বছরের অক্টোবরে নিম্ন আদালত তিনজনকে খালাস দিয়েছিল। আদালত তখন পর্যবেক্ষণে বলেছিল, তথ্যপ্রমাণে দেখা গেছে তাঁরা আইন না ভাঙার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেছিলেন, প্রেসিডেন্ট ভবনের পাশের পথটি নিষিদ্ধ এলাকা, এ তথ্য তাঁদের জানা ছিল না।
তবে রাষ্ট্রপক্ষ ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে হাইকোর্ট তা উল্টে দেয় এবং নতুন করে জরিমানার আদেশ দেয়।
রায় ঘোষণার পর কোকিলা আন্নামালাই বলেন, সিঙ্গাপুরে গণতন্ত্রায়নের সংগ্রাম দীর্ঘদিনের এবং নাগরিক অবাধ্যতামূলক কর্মকাণ্ড এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সাধারণ নাগরিকদের প্রেসিডেন্ট ভবনমুখী পদযাত্রার অধিকার থাকা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সিঙ্গাপুরে জনসমাবেশ, বিক্ষোভ ও নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রচারণামূলক কর্মসূচির ক্ষেত্রে কঠোর আইন রয়েছে। যেকোনো ধরনের প্রকাশ্য সমাবেশের জন্য পুলিশের অনুমতি বাধ্যতামূলক। বিশেষ করে ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধসংক্রান্ত জনসমাবেশ কার্যত নিষিদ্ধ রয়েছে।
সরকারের দাবি, সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতেই এসব কঠোর বিধিনিষেধ প্রয়োজন। তবে সমালোচকদের মতে, এতে নাগরিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হচ্ছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক